Dark Mode Light Mode

হজ্ব: ৪

হজ্বের সফরসঙ্গী নির্ধারণ গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। নেক সঙ্গ অমূল্য সম্পদ। সফর কঠিন একটি কাজ। সফরে সাধ্য অনুযায়ী নেক সঙ্গী নির্বাচন করা উচিত। দ্বীনদার, মুত্তাক্বীদের সাথে সফর খুবই কল্যাণকর। কষ্ট কম, নেকিও বেশি। বরং নেক সঙ্গীর কারণে সফরের অনেক কষ্ট-ক্লেশ সহজ মনে হয়। এ নেয়ামতের কদর করা উচিত।

হজ্ব কত মহান এক ইবাদত। সফর এই ইবাদতের সাথে প্রত্যক্ষভাবে সর্ম্পকিত। এ সফরে নেক সঙ্গীর কোনো বিকল্প নেই। আল্লাহ‌ওয়ালা, অভিজ্ঞ ও বিচক্ষণ আলেমে-দ্বীনের সাথে হজ্ব করতে পারা অনেক সৌভাগ্যের বিষয়। কত রকম অবস্থা ও পরিস্থিতির উদ্ভব হতে পারে, বরং হয়ে থাকে। সেই অবস্থায় কখন শরীয়তের বিধান ও মাসআলা কী, কোনটির প্রাধান্য বেশি, কোনটি সহজ, কোনটি অধিক কল্যাণকর – এ বিষয়গুলো বইয়ের অথবা তাত্ত্বিক জ্ঞানের মাধ্যমে সমাধানের চেয়ে বিচক্ষণ আলেম (যিনি হয়ত সফরে মুআল্লেম হবেন) থেকে সহজে জানা যায়। সহজে আমল করা যায়। সর্বোপরি কুরআন-হাদীসের আলোকে সেটা সবচেয়ে উত্তম ও নিরাপদ হবে।

আমাদের সাধারণের মাঝে-তো আবেগ কাজ করে। অনেক ক্ষেত্রে কাজ করে নির্বুদ্ধিতা ও মূর্খতা। এ কথাটি স্বীকার করার মাঝেও অশেষ কল্যাণ নিহিত। যে বিষয়ে আমি জানি না, তা না জানলে স্বীকার করে নিয়ে জেনে নেয়াই কি সুস্থ বিবেকের পরিচয় নয়?

কেউ যদি আন্দাজ করে হজ্বের হুকুম-আহকাম পালন করে, তা অনেক ক্ষতির কারণ হয়। সবচেয়ে বড় ক্ষতি তো এটাই যে, ফরয ও ওয়াজিব ছুটে যায়। ফলে হজ্বই আদায় হল না। এমন ঘটনা ঘটে থাকে শুধুমাত্র সঠিক বিষয় বিজ্ঞ আলেম থেকে না জানার জন্য। আল্লাহ‌ তাআলা সবাইকে হেফাজত করুন, আমীন।

অতএব হজ্ব সফরে পরহেজগার, অভিজ্ঞ, বিচক্ষণ আলেম আমাদের জন্য সর্বোত্তম মুআল্লেম, পথপ্রদর্শক ও সফরসঙ্গী। হজ্বে যাওয়ার নিয়ত করার সাথে সাথে সতর্কতার সঙ্গে কাফেলা নির্বাচন করা উচিত।

আমাদের উচিত সুন্নত হিসেবে প্রস্তুতি গ্রহণ করে আল্লাহ তাআলার উপর পূর্ণ ভরসা করা।

ইনশাআল্লাহ চলবে….

আমাদের সকল আপডেট পেতে সাবস্ক্রাইব করুন!

By pressing the Subscribe button, you confirm that you have read and are agreeing to our Privacy Policy and Terms of Use
Add a comment Add a comment

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Previous Post

হজ্ব: ৫

Next Post

হজ্ব: ৩