মোবাইল ব্যবহার করে নেক কাজ করার কয়েকটি সহজ উপায়

গুনাহর কাজ, অপ্রয়োজনীয় কাজে কোনকিছুই ব্যবহার ঠিক নয়। মোবাইলও ব্যতিক্রম নয়। মোবাইল যত ভালো কাজেই ব্যবহার করা হোক, মোবাইল ব্যবহারের একটি সীমা থাকা উচিত। কারণ তার অধিক ব্যবহার স্বাস্থ্য ও মানসিকতার ক্ষতির কারণ হতে পারে। নিজের ওপর নিজের হক ও অন্যান্যদের হকের প্রতি বিশেষ লক্ষ রেখে এবং ভারসাম্যতা বজায় রেখে আমরা অনেক কাজ মোবাইলের মাধ্যমে করতে পারি। যেমন:

*অধিক তেলাওয়াত করা যায় — বিশেষভাবে যেখানে কুরআন মাজীদের মুসহাফ পাওয়া কঠিন হয়

*অধিক তাসবীহ-তাহলীল (দুই/পাঁচ/দশ মিনিট স্টপওয়াচ অন করে যেকোনো যিকির করুন)

*আত্মীয়তার বন্ধন রক্ষার্তে মেসেজ/কল করুন

*হঠাৎ বিপাদাপদে প্রতিবেশি ও সব মানুষকে জরুরি কল/খবর প্রদান ইত্যাদি উপায়ে সাহায্য করুন

*যেকোনো ভালো কথা প্রচার/ঘনিষ্ঠদের স্মরণ করাতে পারেন

*আত্মোসংশোধনমুলক কাজ করা: শায়খের সাথে যোগাযোগ ইত্যাদি

*দ্বীনি প্রোগ্রামের আপডেট/খবর জানা বা প্রচার করতে পারেন

* অসুস্থ ভাইয়ের খবর নিন/তার প্রয়োজন জেনে তাকে সাহায্য করুন

* বিকাশের মাধ্যমে যেকোনো ‘হাজতমান্দ’ ব্যক্তি/প্রতিষ্ঠানকে সাহায্য-সহযোগিতা করতে পারেন

*সংশ্লিষ্ট, অধিনস্থ ও ভাই-ব্রাদার, বন্ধুদের নেক পরামর্শ, সৎ কাজের আদেশ ও অসৎ কাজে নিষেধ করুন

*যেকোন দ্বীনি বা জাগতিক জরুরি বিষয় জানুন, যেমন: মাসআলা বা জরুরি কোনো তথ্য

* সময় সংরক্ষণের জন্য বিভিন্ন নোট, রিমাইন্ডার ও এ্যালার্ম ব্যবহার করুন

* নামাযের সময় ও গুরুত্বপূর্ণ কাজের জন্য এ্যাপ ব্যবহার করুন

* সমসাময়িক বিষয়ে আলেমগণের নির্দেশনাগুলো জেনে নিন

* শর্ত মেনে দ্বীনি বিষয়াদি জানুন। যেমন প্রশ্ন করে অথবা লেকচার/বয়ান ইত্যাদি শোনার মাধ্যমে এটা হতে পারে

* সালাম, তোয়াম (খাওয়ানো), মুআমালা (লেনদেন), মুআশারা (আচার আচরণ) ভিত্তিক সব সুন্নতগুলো জীবিত করুন (অর্থাৎ এগুলোর যতটুকু মোবাইলে সম্ভব, নিজের ও অন্যের জন্য সহজ ও আরামদায়ক)

* জায়েয ও মুবাহ কাজগুলো উত্তম নিয়তে ব্যবহার করে আরো নেকি অর্জনের প্রচেষ্টা করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *