মুমিনের অগ্রবর্তী চিন্তা ও প্রচেষ্টা

যেকোন নেক কাজ কঠিন মনে হওয়ার অন্যতম কারণ হল যথাযথ চিন্তা ও প্রচেষ্টার অভাব।

যার যে বিষয়ের প্রতি আগ্রহ আছে তার সে বিষয়ে চিন্তা আছে। সে অনুপাতে ঐ ব্যাপারে সংশ্লিষ্ট লক্ষ্য অর্জনের প্রচেষ্টাও সে করে থাকে। যেমন, কারো কামাই-রুজিতে প্রয়োজন ও আগ্রহ আছে, সে ঐ চিন্তায় লেগে গেছে। ফলে সে চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। এ অবস্থায় যখন এ বিষয়ে কেউ তার সামনে কোন আলাপ করে সে তখন আগ্রহ-ভরে তাতে অংশ নেয়। বরং সুযোগ পেলে নিজেই বিষয়টি আলোচনায় তুলে। এই প্রসঙ্গ উত্থাপন তার জন্য মোটেই কঠিন নয়। বরং এ আলোচনা তার জন্য অত্যন্ত আকর্ষণীয় ও গুরুত্বপূর্ণ মনে হয়। এভাবে যতই সে কামাই-রুজির চিন্তা করছে, ততই ঐ পথে তার প্রচেষ্টা বাড়ছে। তত বেশি সে ঐ পথের মেহনত-মুজাহাদায় হচ্ছে অগ্রসর।

ঠিক তেমনি আল্লাহ্ তা’আলার সাথে সম্পর্ক জোড়ার জন্য প্রয়োজন চিন্তা ও প্রচেষ্টা। বরং মুমিন বান্দা আল্লাহ্ তা’আলার সাথে সুসম্পর্ক গড়ার চিন্তা ও প্রচেষ্টা সবকিছুর চেয়ে বেশি করবে। এত বেশি করবে যে, অন্য চিন্তা-প্রচেষ্টা (যেমন: কামাই-রুজি, পরিবারের হক আদায় ইত্যাদি) আল্লাহ্-মুখীতা থেকে তাকে গাফেল করবে না। তার সব চেষ্টা-তদবীর আল্লাহ্ তা’আলার হুকুমের অনুগামী হবে, তাঁর দেয়া শরীয়তের বিপরীত কখনো হবে না – কখনো হয়ে গেলেও মুমিন তওবা করে নিবে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *