পার্থিব যে হায়াতটি একমাত্র সুযোগ হিসেবে দেওয়া হয়েছে সেটি কিভাবে ব্যয় হচ্ছে — প্রতিদিন একটু ভাবা দরকার।

পার্থিব যে হায়াতটি একমাত্র সুযোগ হিসেবে দেওয়া হয়েছে সেটি কিভাবে ব্যয় হচ্ছে — প্রতিদিন একটু ভাবা দরকার।

যে মানুষগুলো কবরে চলে গেছে তাদের কথা চিন্তা করুন! আমরাও আজ না হয় কাল তাদেরই দলভুক্ত হতে যাচ্ছি।

জীবনের উদ্দেশ্য ঠিক থাকলে কর্ম, কর্মপন্থা ঠিক রাখা সম্ভব। আল্লাহ না করুন, জীবনের উদ্দেশ্যই যদি বেঠিক হয়, তাহলে এ জীবন-তরণী ব্যর্থতার তীরে গিয়ে  ঠেকবে সুনিশ্চিত!

অতএব জীবনের উদ্দেশ্য স্থির করুন। তারপর উদ্দিষ্ট লক্ষ্যে কাজ করুন। ঝড়-ঝাপটা যা-ই আসুক অটল ও অনঢ় থাকবেন। আমাদের থেকে আল্লাহ তাআলা একটু কষ্ট, পরিশ্রম ও সাধনা নেবেন। এটিই পরীক্ষা করার জন্য যে, আমরা তাঁর কতটুকু অনুগত।

একথা বলে দায়িত্বে এড়ানো বা অবহেলার সুযোগ নেই যে, আল্লাহ পাক সবই জানেন, তিনি তকদীরে যা নির্ধারণ করেছেন তাইত হবে, অতএব আমরা যা-ই করব, যেটা হওয়ার হবেই। এ জাতীয় কথা ঈমান নষ্ট করে দিতে পারে! আল্লাহ তাআলা আদেশ করেছেন, পালন করতে হবে। তাঁর আদেশ শিরোধার্য। প্রশ্ন করলে বেয়াদবি হবে, ধ্বংস হয়ে যাওয়ার আশঙ্কা!

আসুন জীবনের উদ্দেশ্যকে ‘একমাত্র আল্লাহ তাআলার অনুগত হয়ে তাঁকে সন্তুষ্ট করা’ — স্থির করে নেই। নফস্, মন, শয়তান, অসৎ সঙ্গীদের পরিত্যাগ করি সম্পূর্ণভাবে।

পার্থিব এ হায়াতটি একমাত্র সুযোগ হিসেবে দেওয়া হয়েছে; সেটি কিভাবে ব্যয় হচ্ছে — প্রতিদিন একটু ভাবি। কবরের দিকে অগ্রসর হই সেই প্রস্তুতি নিয়ে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *