জীবনে সময়ের বরকত পেতে হলে করণীয়: ৪

একটি রুটিন করে নিয়ে সাধ্যমতন সেটা অনুযায়ী চলুন। দেখবেন, সময়ের কাজ সময়ে হতে শুরু হবে ইনশাআল্লাহ।
রুটিনের মূল ফায়দা হল, জরুরী কাজ নিয়মিত হওয়া। অল্প হলেও নিয়মিত কাজ করার ফায়দার কথা হাদীসে আছে। অতএব এতে অবহেলা অনুচিত।

যেমন: আপনি রুটিনে লিখলেন, প্রতিদিন আসরের নামায পড়ে তিন তাসবীহ করবেন। প্রতিদিন আসর বাদ তাসবীহ হাতে নেবেন, তাসবীহ-তাহলীল শুরু করবেন। প্রারম্ভে শুধু এতটুকু হোক! ইনশাআল্লাহ অচিরেই তিন তাসবীহ পুরো আদায় হবে এবং সময় মতনই হবে ইনশাআল্লাহ।

আমাদের প্রথম সমস্যা আমরা রুটিনই করি না। যারা রুটিন করি তারা আবার রুটিন করাটাই যেন উদ্দেশ্য ছিল এমন ব্যবস্থা করি! অর্থাৎ, রুটিন করে রেখে দেই।

আবার যারা রুটিন করে সেটা অনুযায়ী চলার ফিকির করি সেটা মেনে চলার চেষ্টাটুকু স্থায়ী করি না। এরকমভাবে আমাদের জীবন রুটিন অনুযায়ী চলার ফায়দা থেকে সম্পূর্ণই খালি থাকি! এটা আফসোসের বিষয়।

মুফতী তাকী উসমানি বলেন, কোনো কাজ নিয়মিত করতে হলে রুটিন কর, সময় মতন কর। তারপরও না হলে (আর অভিযোগ কর কেন?!) আর হবে না(!)।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *