কুরআন মাজীদের জীবন গড়ার মাস – ১

মুমিন সারাজীবন কুরআন মাজীদকে নিজ জীবনে ধারণ করে থাকে।  পবিত্র রমযান যেহেতু কুরআন নাযিলের মাস ও সেই সূত্রে আল্লাহ পাকের অসীম রহমতের মাস, তাই স্বাভাবিকভাবেই এ মাসে কুরআনুল কারীমের সাথে মুমিনের সবচেয়ে বেশি সময় অতিবাহিত হয়, আর এঁর ফলে তার জীবন ও সাধনা যেন বসন্তের মতন নতুন জীবন লাভ করে! এঁর অর্থই হল, বান্দা মাওলার বিশেষ সান্ন্যিধ্যে ধন্য হবে। এ নিঃসন্দেহে আল্লাহ তাআলার পক্ষ থেকে তাঁর বান্দাদের জন্য গায়েবী এক ব্যবস্থাপনা।
পবিত্র রমযানে যদি শুধু তেলাওয়াতও হয় সেটা কম নয়, কিন্তু সাধ্য অনুযায়ী আরো প্রচেষ্টা চালানো উচিত। আল্লাহর পথে অগ্রসর হওয়ার জন্য মুমিনের চেষ্টা অব্যাহত থাকাটাই তো স্বাভাবিক! তার উপর কুরআনুল কারীমের মত শ্রেষ্ঠ নেয়ামত যখন হাতে।
কুরআন থেকে বেশি ফায়দা গ্রহণের আরো উপায়ের মধ্যে আছে: কুরআনের নির্ভরযোগ্য অনুবাদ ও তাফসীর অধ্যায়ন। আরো আছে: পবিত্র কুরাআন বিষয়ক নির্ভযোগ্য বই ও প্রবন্ধ (যেগুলো উলামায়েকেরাম লিখেছেন) মনোযোগ সহকারে অধ্যায়ন। যদি কারো ভাগ্যে কোনো আলেমে দ্বীনের তাফসীর শোনা জুটে, সেতো বিরাট সৌভাগ্য!
যদি এমন হয় যে, কুরআন মাজীদ তেলাওয়াতে দুর্বলতা থাকে, বা তাজবীদ শেখাই না হয়ে থাকে, তাহলে তো যত দ্রুত সম্ভব ব্যবস্থা নিতে হবে। আল্লাহ না করুন, এ বিষয় অবহেলাকারী অনেক বড় ক্ষতির মধ্যে পড়ে যাবে!

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *