সৃষ্টির প্রতি দয়া

সৃষ্টির প্রতি আল্লাহ তাআলা’র দয়া অপরিসীম। সেটা আমাদের কল্পনায় ধরবে না।

এক সৃষ্টির প্রতি অন্য সৃষ্টির দয়া – স্রষ্টার দয়ার তুলনায় এ আর কতটুকু?! তারপরও সৃষ্টির প্রতি সৃষ্টির দয়া সমগ্র জগতের স্রষ্টার কাছে বিশেষভাবে মূল্যায়িত – অনেক বেশি দামী। দেখুন না, শুধু একটা তৃষ্ণার্ত কুকুরকে পানি খাওয়ানোর জন্য এক ব্যক্তির জন্য ক্ষমার ঘোষণা করা হয়েছে (বুখারী)! এর মাধ্যমে এটাই শিক্ষা দেয়া উদ্দেশ্য, তোমরাও এমনটি কর, তোমরাও ক্ষমা পাবে (যদি অন্য কোনো পুরস্কার দেয়া নাও হয়, এটাই তো সবচেয়ে বড় পাওয়া!)।

মহানুভব ব্যক্তিগণ অন্যের উপকার করার সুযোগে থাকেন। তাদের সিংহভাগ চিন্তা হল, আমি যদি কারো কিছুমাত্র কাজে লাগতাম! এমনকি সেটা হোক কাউকে তার প্রয়োজনীয় জিনিসটি এগিয়ে দিয়ে অথবা হোক অন্যকে সামান্য কোনো আরাম পৌঁছে। আর এসব করার পেছনে নিঃস্বার্থ ব্যক্তিগণের একমাত্র উদ্দেশ্য থাকে আল্লাহকে খুশি করা, অন্য কিছু নয়।

সৃষ্টির প্রতি দয়া প্রদর্শন ও পরোপকার হল ইসলামের সুমহান একটি শিক্ষা। একটু ইচ্ছাশক্তি ও লক্ষ রাখলে সহজেই সৃষ্টির প্রতি দয়া প্রদর্শন করা যায়, কাউকে পৌঁছানো যায় কোনো না কোনো উপকার! এঁর বিনিময় পার্থিব ও পরকালীন – উভয় জগতে মিলবে ইনশাআল্লাহ।

আল্লাহ’র সব সৃষ্টির প্রতি দয়া প্রদর্শন করা উচিত। ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সবার উপকারে নিবেদিত হতে হবে। শুধু মানুষের নয়, সব সৃষ্টির প্রতি দয়া-মায়া দেখাব, সাধ্যমতন আমরা তাদের উপকার করব ইনশাআল্লাহ।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *