সত্যের সন্ধানে

সত্যের অনুসন্ধান আমাদের দায়িত্বে। সত্যকে খুঁজতে হবে। সত্যকে জেনে জীবনে বাস্তবায়নের চেষ্টা করতে হবে। সত্যকে জীবনে স্থায়ী করার জন্য সত্যবাদীদের সাথে থাকতে হবে।

সত্য ও মিথ্যা বিপরীতমুখী। সত্য ও মিথ্যার ফলাফল সম্পূর্ণ বিপরীত। সত্য ও মিথ্যার পথ ভিন্ন। সত্যের পথ অবলম্বন করে মিথ্যা অর্জিত হবে না। মিথ্যার পথ অবলম্বন করে সত্য অর্জিত হবে না। সত্যের পথ ধরে হাঁটলে মিথ্যাকে চেনা যাবে। মিথ্যার পথ ধরে হাঁটলে সত্যকে চেনা কঠিন হয়ে পড়বে।

সত্য ও মিথ্যার মিশ্রণ আসলে মিথ্যা। তাই সত্য-মিথ্যা মিশ্রিত যেকোনো বিষয়, আলোচনা ও সিদ্ধান্ত খাঁটি নয়। তাই সেটা গ্রহণযোগ্য হতে পারে না। আমি সেটাকে গ্রহণ করলাম মানেই মিথ্যার ফাঁদে পা দিলাম! জেনে শুনে এমন করলে মিথ্যা আমার জীবনে জড়িয়ে যাবে। মনে রাখবেন, পথ চলতে গেলে পথিককে সাবধানেই পথ চলতে হবে! যদি কেউ ‘ধরা খাওয়া’র পর বলে, জানতাম না – বুঝি নাই – উত্তর হল, আচ্ছা জানার আর বোঝার জন্য কী করেছিলেন? চেষ্টা করেছিলেন নাকি উদাসীন ছিলেন? এখানেই কিন্তু সত্য অনুসন্ধানকারী ও সত্যকে উপেক্ষাকারীর মধ্যে মূল পার্থক্য!

আমাদের উচিত সত্যকে আন্তরিকতার সাথে অনুসন্ধান করে যাওয়া। সত্য অনুসন্ধানে ভালো সহযোগী ও বন্ধু খুঁজুন। তাকে চিনবেন কিভাবে? উত্তম সঙ্গী ও ভালো সহযোগীর প্রাথমিক ও মৌলিক নিদর্শন হল, সে নিঃস্বার্থ ও সত্যবাদী হবে।

আমরা সত্যের অনুসন্ধানে দ্রুত হতাশ হয়ে যাই। এটা বোকামি। যেকেনো সৎ প্রচেষ্টায় সাহসী ও উদ্যমী হতে হয়। আসলেই যদি খাঁটি সত্যের সন্ধান চান সহজে হাল ছাড়বেন না! অমূল্য জিনিস পাওয়ার আশা করলে হাত-পা গুটিয়ে বসে থাকলে হবে না।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *