ছোট্ট সূরা পাঠে অশেষ কল্যাণ ও পুরস্কার

সূরা ইখলাস। সূরাটি আত-তাওহীদ নামেও পরিচিত।

আহমাদ গ্রন্থ সূত্রে একটি হাদীস আমাদের কাছে পৌঁছেছে। যে হাদীস থেকে জানা যায় যে, ১০ বার সূরা ইখলাস পাঠ করলে (পাঠকারীর জন্য) জান্নাতে একটি প্রাসাদ নির্মিত হবে (সূরাটি পাঠের অন্যান্য লাভতো আছেই)।

এ সুসংবাদ শুনে উমর রা. বলেছিলেন যে, তাহলে তো আমি অনেক প্রাসাদ বানিয়ে নেব। প্রিয় রাসূল ﷺ জানিয়ে দিয়েছেন যে, আল্লাহ তাআলার দান ও অনুগ্রহ অশেষ এবং উত্তম।

উম্মুল মু’মিনীন আয়েশা রা. বর্ণিত একটি হাদীসে আছে, একবার প্রিয় রাসূল ﷺ এক ব্যক্তিকে নেতা বানিয়ে একটি জামআতকে কোথাও পাঠিয়েছিলেন। তিনি যখনই নামায পড়াতেন, শেষ রাকআতে সূরা ইখলাস পড়তেন। জামআতটি সফর শেষে ফেরত আসার পর এই বিষয়টি কিছু সংখ্যক লোক প্রিয় রাসূল ﷺ-কে এটা জানালে রাসূল ﷺ তাদেরকে বললেন, ঐ ব্যক্তিকে এর কারণ জিজ্ঞাসা করতে। তারা বলল, আমরা তাকে জিজ্ঞাসা করেছি এবং তিনি বলেছেন যে, এই সূরাটিতে সবচেয়ে দয়াবান সত্ত্বার গুণ বর্ণিত রয়েছে বলে আমি তা পড়তে ভালোবাসি। রাসূল ﷺ তাদেরকে বললেন, তাকে জানিয়ে দাও আল্লাহ তাকে ভালোবাসে।

বুখারী ও মুসলিমে বর্ণিত হাদীসেতো আছেই, প্রিয় রাসূল ﷺ এটা কসম করে বলেছেন যে, সূরা ইখলাস পুরো কুরআনের এক তৃতীয়াংশ।

অন্য একটি হাদীসে বর্ণিত হয়েছে, প্রিয় রাসূল ﷺ একবার সাহাবাদেরকে জিজ্ঞেস করলেন, তোমাদের কেউ কি রাতে কুরআনের এক-তৃতীয়াংশ পড়তে অসমর্থ? এ পরিমাণ সবসময় পড়া বাস্তবিকই কঠিন! তাই সাহাবাগণ বললেন, আমাদের মধ্যে এ পরিমাণ কে পড়তে পারবে ইয়া রাসূলাল্লাহ!? তখন প্রিয় রাসূল ﷺ সূরা ইখলাস পড়লেন এবং পরিশেষে জানিয়ে দিলেন যে এঁ হল কুরআনের এক তৃতীয়াংশ। [বুখারী সূত্রে]

বলুন, আমলটি কি সহজ নয়?!

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *